তারাবি নামাজের প্রতি চার রাকাত পরের দোয়া দেখে নিন
তারাবি নামাজের প্রতি চার রাকাত পরের দোয়া জানতে অনেকেই google এ সার্চ করে থাকেন তাই আমাদের আজকের আর্টিকেল আপনারা জানবেন তারাবি নামাজের প্রতি চার রাকাত পরের দোয়া।
তার আগে জেনে নেওয়া যাক তারাবি নামাজের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং হাদিস:
তারাবি নামাজ হলো রমজান মাসের একটি বিশেষ সুন্নত নামাজ যা এশার ফরজ নামাজের পর আদায় করা হয়ে থাকে। এটি দীর্ঘ তিলাওয়াত সহকারে দুই রাকাত করে পড়া হয়। তারাবির নামাজের রাকাত নির্দিষ্ট করা হয়নি, তবে সাধারণত সবাই ৮, ১০, ১২, ২০ রাকাত পড়ে থাকে।
তারাবি নামাজের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
সময়: এশার ফরজ নামাজের পর থেকে বিতরের নামাজের আগ পর্যন্ত তারাবি নামাজ পড়ার সময়।
রাকাত: সাধারণত ৮, ১০, ১২, ২০ রাকাত প্রচলিত।
ফজিলত: অতীতের গুনা ক্ষমা, জান্নাত লাভ, আল্লাহর নৈকট্য লাভ।
নিয়ম: তারাবি নামাজ জামাতে পড়া উত্তম, তবে একাও পড়া যায়।
বিধান: প্রতি চার রাকাত পর বিরতি নেওয়া।
তারাবি নামাজের কিছু হাদিস:
•হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমজানে তারাবিহ নামাজ আদায় করে, তার অতীতের গুনাগুলো আল্লাহ্ ক্ষমা করে দেন।” (বুখারি ও মুসলিম)
•হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূল (সাঃ) তারাবিহ নামাজ ১১, ১৩, ১৫ রাকাত করে পড়তেন। (মুসলিম)
•হজরত উমর (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূল (সাঃ) মদীনায় আসার পর ২৩ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করতেন। (মুসলিম)
•তারাবি নামাজের ফজিলত অনেক অপরিসীম। নবী করিম (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমজানে তারাবিহ নামাজ আদায় করে, তার অতীতের গুনাগুলো আল্লাহ্ ক্ষমা করে দেন।” (বুখারি ও মুসলিম)
•নবী (সাঃ) বলেছেন- “যে ব্যক্তি রমজানের রাতে তারাবিহ নামায সওয়াবের নিয়তে পড়বে, তার বিগত জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
রমজান যতই ঘনিয়ে আসছে, প্রত্যেক মুসলিম, নারী-পুরুষ উভয়েই তারাবিহ নামাজ ও দোয়ার নিয়ম শেখার জন্য প্রস্তুত হয়। অতএব, তারাবির নামাজের প্রস্তুতির জন্য, নীচে আমরা নামাজের একটি দোয়া উপস্থাপন করছি যা তারাবির নামাজের চার রাকাত পরে পড়া হয়।
তারাবীহ নামায দুই রাকাতে পড়তে হবে। দুই রাকাত নামায পড়ুন এবং সালাত শেষ করার জন্য সালাম ফিরান।
দুই রাকাত, দুই রাকাত ও চার রাকাত নামায পড়ার পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন। তসবিহ পড়া বা দোয়া দুরুদ পড়া।
তারাবি নামাজের প্রতি চার রাকাত পরের দোয়া।
আরবিতে:
وَالْعَظْمَةِ وَالْهَيْبَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوْتِ سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَيِّ الَّذِيْ لَا يَنَامُ وَلَا يَمُوْتُ اَبَدًا اَبَدَ سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّنا وَرَبُّ المْلائِكَةِ وَالرُّوْحِ
বাংলা উচ্চারণঃ সুবহানা জিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুবহানা জিল ইয্যাতি ওয়াল আঝমাতি ওয়াল হায়বাতি ওয়াল কুদরাতি ওয়াল কিব্রিয়ায়ি ওয়াল ঝাবারুতি। সুবহানাল মালিকিল হাইয়্যিল্লাজি লা ইয়ানামু ওয়া লা ইয়ামুত আবাদান আবাদ, সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালায়িকাতি ওয়ার রূহ।
জেনে রাখা জরুরী
চার রাকাত নামাজ আদায় করার পর এ দোয়াটি পড়তে হয়। তবে এ দোয়ার সাথে আপনার নামাজ হওয়া না হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। মানে এ দোয়া না পড়লে যে নামাজ হবে না এমন কোন কথা নেই।
প্রিয় পাঠক আশা করি আমাদের আজকের আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি জানতে পেরেছেন তারাবি নামাজের প্রতি চার রাকাত পরের দোয়া।
আরো এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।
