রোজা অবস্থায় খারাপ চিন্তা আসলে কি রোজা ভেঙ্গে যাবে?
রোজা অবস্থায় খারাপ চিন্তা । রোজা ও রমজান মাস মুসলিমদের জন্য আল্লাহর দেয়া নেয়ামত। এই মাসে আল্লাহকে খুশি করে। জীবনের গুনাহ মাফ করা যায়। রমজান মাসের রয়েছে বহু ফজিলত। রোজার সমস্ত মুসলমানের জন্য ফরজ করা হয়েছে। তাই রোজা ভাঙ্গা নিয়ে অনেকেরই অনেক দুশ্চিন্তা আছে। তার মধ্যে একটি হলো
রোজা অবস্থায় খারাপ চিন্তা আসলে কি রোজা ভেঙ্গে যাবে? এটা নিয়ে অনেকেই গুগলে সার্চ করে থাকেন অনেকেরই জানার অনেক কৌতূহল। তাই আমাদের আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো। রোজা অবস্থায় খারাপ চিন্তা আসলে কি রোজা ভেঙ্গে যাবে?
চলুন এই প্রশ্নটির উত্তর জানার আগে দেখে নিয়ে রোজা ও রমজান মাসের হাদিসের আলোক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
রোজা ও রমজান মাস নিয়ে হাদিস সহ কিছু তথ্য:
রোজা:
•রোজা ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ।
•রমজান মাসের প্রতিদিন ভোরের আলো ফোটার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখা ফরজ।
•রোজার অর্থ হল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পানাহার, সহবাস এবং অন্যান্য ইচ্ছাকৃত কাজ থেকে বিরত থাকা।
রমজান মাস:
•রমজান মাস হল বারটি মাসের নবম মাস।
•এই মাসকে “পবিত্র মাস” এবং “কুরআন মাস” বলা হয়।
•এই মাসে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি অশেষ রহমত ও বরকত বর্ষান।
রোজা ও রমজান মাস নিয়ে হাদিস:
•রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ হল কালেমা শাহাদাহ, সালাত, যাকাত, রোজা এবং হজ্জ।” (সহীহ বুখারী)
•রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আরও বলেছেন, “রমজান মাস এসেছে, যার মধ্যে রয়েছে একটি রাত যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।” (সহীহ বুখারী)
•আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করা হবে।” (সহীহ বুখারী)
রোজা ও রমজান মাসের ফজিলত:
•রোজা গুনাহের ক্ষমা লাভের মাধ্যম।
•রোজা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে।
•রোজা ঈমানের পরিপূর্ণতা।
•রোজা ধৈর্য ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করে।
•রোজা দরিদ্রদের প্রতি সহানুভূতি জাগ্রত করে।
•রমজান মাসে আল্লাহ তায়ালা জান্নাতের দরজা •খুলে দেন এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেন।
•রমজান মাসে আল্লাহ তায়ালা শয়তানদেরকে শেকল দিয়ে বেঁধে রাখেন।
রোজা অবস্থায় খারাপ চিন্তা আসলে কি রোজা ভেঙ্গে যাবে?
উত্তর: না ভাঙবে না।
তবে আমাদের অবশ্যই খারাপ চিন্তা ভাবনা থেকে সব সময় বিরত থাকতে হবে কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন।
إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا
অর্থ: কান, চোখ আর অন্তর- এগুলোর সকল বিষয়ে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। (সূরা ইসরা ৩৬)
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) বলেছেন
والقلْبُ يهوَى ويتَمَنَّى ، يصدِّقُ ذلِكَ الفرجُ ويكذِّبُهُ
অর্থ: অন্তরের ব্যভিচার হল কামনা-বাসনা আর গুপ্তাঙ্গঁ তা সত্য অথবা মিথ্যায় পরিণত করে। (সহীহ মুসলিম ২৬৫৭, মুসনাদে আহমাদ ৮৯৩২)
আবদুল্লাহ ইবনে আমের রহ. বলেন, হে আবু মাসউদ! “তারা আন্দাজ-অনুমান করেছে” এরূপ কথা সম্পর্কে আপনি রাসূলুল্লাহ ﷺ -কে কী বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি,
