ছোট ছোট হাদিসের বাণী ও ইসলামিক উক্তি

ছোট ছোট হাদিসের বাণী

ছোট ছোট হাদিসের বাণী ইসলামিক উক্তি সম্পর্কে জানতে অনেকেই ইচ্ছুক। হয়তো এই কারণে আপনিও আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়তে এসেছেন। আমাদের আজকের আর্টিকেলে আপনাদেরকে জানাবো ছোট ছোট হাদিসের বাণী। 

আচ্ছা আমাদের প্রত্যেকেরই জেনে রাখা জরুরি। এই হাদিসের বাণী গুলো আমরা খুব সহজেই মুখস্ত করতে পারবো। কারণ এগুলো সব ছোট ছোট হাদিসের বাণী। আপনাদের যাদের বড় বড় হাদিসের বাণী মুখস্ত করতে অনেক সময় লাগে বা মুখস্থ করতে পারেন না। তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি বেশ কার্যকরী হবে। আজকের আর্টিকেলের ছোট ছোট হাদিসের বাণী গুলো তাদের বাস্তব জীবনে ও বেশ কাজে আসবে। এবং জীবনের বহু সিদ্ধান্ত নিতে আশা করি এগুলো অনেক উপকারী হবে আপনাদের জন্য। এবং জীবনের সঠিক দিক নির্বাচন করতে ব্যর্থ সহায়তা করবে আপনাদেরকে। তাই চলুন দেখে নেওয়া যাক। ছোট ছোট হাদিসের বাণী গুলো


ছোট ছোট হাদিসের বাণী


•আল্লাহর ভয়ে তুমি যা কিছু ছেড়ে দিবে, আল্লাহ্ তোমাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু অবশ্যই দান করবেন। 

-হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)


•অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না, সকলকেই সে নিজের মতো ভাবে ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•তাকে সঙ্গী করো না যে তোমার দোষ মনে রাখে গুণ ভুলে যায়।


•অহংকার হচ্ছে সত্য কে উপেক্ষা করা এবং মানুষকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা। (সহীহ মুসলিম)


•সমস্ত কাজের ফলাফল নির্ভর করে নিয়তের উপর। আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করেছে,তাই পাবে। – আল হাদিস


•যে ব্যক্তি দুই রাকাত নামাজ পড়িয়াছে আর উহাতে ভুল করে নাই, আল্লাহ তায়ালা তাহার ছগিরা গুনাহ মাফ করিয়া দিবেন, যাহা ইতিপূর্বে হইয়াছে। – আল হাদিস 


•যে নিজে সতর্কতা অবলম্বন করে না, দেহরক্ষী তাকে বাঁচাতে পারে না ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে , তারাই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ।


•কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করিও না কারণ মৃত্যুর আগে হয়তো তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য তাকে খুঁজে পাবেনা।


•সে ব্যক্তিই ঈমানের প্রকৃত স্বাদ পেয়েছে যে আল্লাহ তায়ালাকে রব (প্রভু), ইসলামকে দীন (জীবন বিধান) এবং মুহাম্মদ (স)-কে রাসূল হিসাবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছে। – আল হাদিস


• তোমাদের সন্তানদেরকে সালাতের জন্য আদেশ করিবে যখন তাহারা সাত বৎসর বয়সে পৌঁছাবে। আর যখন তাহারা দশ বৎসর বয়সে পৌঁছাবে তখন (সালাতের জন্য) মারধর করিবে এবং এই বয়স থেকে তাহাদের ঘুমানোর স্থান পৃথক করিয়া দিবে। – আল হাদিস 


•পাপ লুকানোর চেষ্টা করে কোনোদিন সফলকাম হতে পারে না। পাপের কথা স্বীকার করে যদি কেউ তা ত্যাগ করার চেষ্টা করে তবে তার পক্ষে সফলতা লাভ করা স্বাভাবিক ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•“ বড়দের সম্মান কর, ছোটরা তোমাকে সম্মান করবে ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•পাপ থেকে একমাত্র তারাই বাঁচতে পারে যারা মুখে নয়; অন্তর থেকে আল্লাহ তা’আলার শাস্তিকে ভয় করে।


•পাপ যতই ক্ষুদ্র হোক তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করিও। পূন্য যতই ক্ষুদ্র হোক তা আমল করার চেষ্টা করিও। (ইমাম গাজ্জালী)


•যে লোক (ইচ্ছাকৃত) সালাত কাজা করিবে সে যখন আল্লাহ তায়ালার দরবারে হাজির হইবে তখন আল্লাহ তায়ালাকে রাগান্বিত অবস্থায় দেখিবে, অর্থাৎ তাহার হিসাব কড়াকড়ির সাথে আদায় করা হইবে। -আল হাদীস


•যদি কেহ সালাত আদায়কারীর সামনে দিয়া চলিয়া যায় ঐ লোক যদি জানতো নামাজির সামনে দিয়া চলিয়া গেলে কি পরিমাণ গুনাহ হয় তবে সে ঐভাবে সামনে দিয়া চলিয়া যাওয়ার চেয়ে চল্লিশ বৎসর দাঁড়াইয়া থাকা ভাল মনে করিত। 

-আল হাদীস


•“ হীনব্যক্তির সম্মান করা ও সম্মানীয় ব্যক্তির অপমান করা একই প্রকার দোষের ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•“ যা সত্য নয় তা কখনো মুখে এনো না । তাহলে তোমার সত্য কথাকেও লোকে অসত্য বলে মনে করবে ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•উমর বিন খাওাব (রা:) বলেন দুনিয়া অর্জন নয়, দুনিয়াবিমুখতায়ই রয়েছে দেহ ও জ্ঞানের প্রশান্তি। তারিখে উমার- ২৬.


•আমি কেবল আমার রব কে ডাকি এবং তার সাথে কাউকে শরীক করি না।


•আউয়াল ওয়াক্তে অর্থাৎ প্রথম ওয়াক্তে সালাত আদায় করলে আল্লাহ তায়ালা খুশী হন। – আল হাদীস


•যে ব্যক্তি নিজে সালাতুল তাহাজ্জুদ আদায় করিবে এবং আপন বিবিকে পড়াইবে তাহার উপর রহমত বর্ষিত হইবে। তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়কারীরা সত্তর গজ লম্বা হইবে। অন্য হাদীসে আছে তাহাজ্জুদ নামাজ হইল কবরের চাঁদ। – আল হাদীস



•“ বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী ব্যক্তি ছাড়া আর কারো সঙ্গ কামনা করো না ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•“ বুদ্ধিমানেরা কোনো কিছু প্রথমে অন্তর দিয়ে অনুভব করে, তারপর সে সম্বন্ধে মন্তব্য করে। আর নির্বোধেরা প্রথমেই মন্তব্য করে বসে এবং পরে চিন্তা করে। ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•কিয়ামতের দিন যে জিনিসটা মুমিনের পাল্লায় সবচেয়ে ভারি হবে তা হলো উওম চরিত্র। (আবু দাউদ – হাদিস নং ৪৮০১)


•নিজেকে কঠিন জীবনে অভ্যস্ত করো কারণ বিলাসিতা চিরস্থায়ী হয় না।


•যে ব্যক্তি সালাতে দাঁড়াইয়া এইদিক ঐদিক তাকায়, আল্লাহ তায়ালা তাহার নামাজকে উল্টা দিকে ঠেলিয়া দেন। অর্থাৎ এ ধরনের সালাত আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন না। – আল হাদীস


•একা একা নামাজ পড়ার চেয়ে জামাতে নামাজ পড়ায় ২৭ গুণ ছওয়াব বেশী এবং প্রত্যেক রাকাতে ইমামের সাথে তাকবিরে তাহরিমায় যোগদান করা দুনিয়া এবং তাহার ভিতর যাহা আছে তাহার চেয়েও উত্তম । – আল হাদিস


•অভ্যাসকে জয় করাই পরম বিজয় ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


•“ মানুষের সাথে তাদের বুদ্ধি পরিমাণ কথা বলো ”

—- হযরত আলী (রাঃ)


প্রিয় পাঠক আজকের ছোট ছোট হাদিসের বাণী গুলো আমরা ইন্টারনেটের বিভিন্ন জায়গা থেকে আপনাদের জন্য সংগ্রহ করেছি। এবং আশা করি আমাদের মাধ্যমে আপনি ইসলামিক উক্তি । আজ অনেক কিছু জানতে পেরেছেন এবং অনেক 

হাদিসের বাণী শিখতে পেরেছেন। আরো এমন সব পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ঘুরে দেখুন